পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে অব্যাহত বিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচী

TLJ নিউজ করেসপনডেন্ট– পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বহাল থাকছে বিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচী।

মঙ্গলবার নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সেই কথাই জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তিনি বলেন, “জ্বালানীর দাম এরাজ্যে এখনও কেন বেশি? কার স্বার্থে বেশি? আমরা আজ থেকেই জেলায় জেলায় মানুষকে এটা জানাতে এবং বোঝাতে শুরু করব।”

তিনি আরও বলেন, “আজ থেকে জেলায় জেলায় আন্দোলন শুরু হবে। জেলায় জেলায় মিছিল হবে।

কোথাও কোথাও পেট্রল পাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতীকী আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা হবে।

রাজ্য সরকার কেন ভ্যাট কমাচ্ছে না তার বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। এটা জাগরণের আন্দোলন। কিন্তু আমাদের আন্দোলন গায়ের জোরে আটকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু তাদের প্রাপ্য ভ্যাটে ছাড় দিচ্ছে না রাজ্য সরকার।

এই ইস্যুতে প্রতিবাদ কর্মসূচীতে সামিল বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। কিন্তু করোনা অতিমারির কারণ দেখিয়ে মেলেনি পুলিশের অনুমতি।

এই প্রসঙ্গে রবিবার বিজেপি মুখপাত্র শমিক ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, “বিজেপি কোনও হরিনাম সংকীর্তনের দল নয়। পুলিশ তার কাজ করবে।

আমরা আমাদের কাজ করব।” এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষের বক্তব্য, “ত্রিপুরায় ওই আইন দেখিয়েই আমাদের কর্মসূচী বন্ধ করিয়েছিল, সেটা কি বিজেপির মনে থাকে না?

ত্রিপুরায় তো ওদেরই সরকার। তাদের থেকে আইনের বইগুলো নিয়ে একটু পড়ে নিক। তা হলেই বুঝতে পারবে এখানে কোন আইনে ওদের মিছিলে অনুমতি দেওয়া হচ্ছেনা।”

সোমবার মিছিলের ডাক দিয়েছিল বিজেপির নেতৃত্ববর্গ।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ রাহুল সিনহা, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, জগন্নাথ সরকার ও আরও অনেকে।

কিন্তু পুলিশের অনুমতি না থাকায় মিছিলের শুরু থেকেই দেখা দেয় উত্তেজনা।

ক্রমাগত জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে নাজেহাল হয়ে পড়েছিল আমজনতা।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের তরফে গত বুধবার পেট্রোল এবং ডিজেলের লিটার প্রতি ৫ টাকা এবং ১০ টাকা শুল্ক হ্রাস করা হয়, যা বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা থেকে কার্যকর করা হয়।

কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফে এখনও কমানো হয়নি ভ্যাট।

এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার দুপুর ১ টা নাগাদ মুরলীধরন সেন লেনে বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা মিছিলের উদ্দেশ্যে জমায়েত হন।

তবে মিছিলের শুরুতেই বিজেপির সদর দফতরের সামনে একের পর এক ব্যারিকেড করে দেয় পুলিশ।

ব্যারিকেডের সামনে দাঁড়িয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন জগন্নাথ সরকার।

মিছিল বানচাল করে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য নেতৃত্ব।

বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, “মানুষ কম দামে জ্বালানী কিনতে বিহার যাচ্ছে।

এত কাটমানি খেলে কিভাবে দাম কমবে?” সেইসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, “কেন্দ্র সরকার শুল্ক কমিয়েছে।

রাজ্য সরকার কেন ভ্যাট কমাচ্ছেনা? কর ছাড় দিয়ে জনগণের সুবিধা করুন। আমাদের দাবী ভাতা নয়, চাকরি চাই।

 পেট্রোপণ্যের ,আজ ডিজেলের হ

যত মারবেন বিজেপি তত বাড়বে।” পাশাপাশি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবী, বিজেপির ভয়ে মিছিল আটকানো হয়েছে।

Also read –কলকাতা : নতুন বছরের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ২৭ KIFF