মোমিনপুর গার্ডেনরিচে ইডি হানা, ফের শহরে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ টাকা।

শনিবার সকালে কলকাতার তিনটি জায়গায় তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর বা ইডি।

শনিবার সকালে মোমিনপুর এলাকায় জায়গাতে তল্লাশি চালায় ইডি আধিকারিকরা। প্রথমে ময়ূরভঞ্জ রোডের দুটি বাড়িতে হানা দিয়ে আর্থিক প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত কাপড়ের ব্যবসায়ী শারিয়ার আলির খোঁজ করেন ইডি আধিকারিকরা। পরে মোমিনপুরের ১৪ নম্বর বিন্দুবাসিনী স্ট্রিটে শারিয়ার আলির বাড়িতে হানা দেয় ইডি আধিকারিকরা। প্রায় দু’ঘণ্টা এই বাড়িতে শারিয়ারের বাবা ও মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি আধিকারিকরা। তবে অভিযুক্ত শারিয়ার আলির কোনও খোঁজ এখনো ইডি আধিকারিকরা পায়নি।

অন্যদিকে গার্ডেনরিচ থানা এলাকার পরিবহন ব্যবসায়ী নিশার খানের বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি আধিকারিকরা। শনিবার সকাল থেকে অভিযান চালিয়ে ওই ব্যবসায় বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গেছে গার্ডেনরিচের এই বাড়ির খাটের তলা থেকে প্লাস্টিকে মোড়া বিপুল পরিমাণ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়াও শনিবার সকালে পাকস্ট্রিট অঞ্চলের ম্যাকলয়েড স্ট্রিটের একটি আবাসনে হানা দেয় দুজন মহিলা আধিকারিক সহ ইডির চারজনের একটি দল। এই দলটির সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর চারজন জোয়ান।ইডি সূত্রে জানা গেছে ওয়াহিদ রহমান নামে এক ব্যক্তির খোঁজে শনিবার ম্যাকলয়েড স্ট্রিটের ৩৬/১ নম্বর আবাসনে হানা দেয় ইডির আধিকারিকরা। বেশ কিছুক্ষণ ওই আবাসনে তল্লাশি চালানোর পর তারা ম্যাকলয়েড স্ট্রিটের ৩৪/এ নম্বরের আরও একটি আবাসনে হানা দেন।

তবে ঠিক কোন মামলায় শনিবার সকালে ইডির এই অভিযান সেই বিষয় এখনও স্পষ্ট করেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে কে এই ওয়াহিদ রহমান? ঠিক কোন কারণে তার বাড়িতে এই তল্লাশি? সেই বিষয়েও এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে।